‘যেন আমি আরব দেশের মধ্যে আছি’—আরবি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শায়খ নূর উদ্দীন সুদানী
| মাওলানা আব্দুল কাদির জিলানী |
“আজকের এই আরবি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি। আমার মনে হয়েছে, যেন আমি আরব দেশের মধ্যে আছি।” জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় অনুষ্ঠিত আরবি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ছাত্রদের আরবী ভাষার প্রাণবন্ত পারফরম্যান্স দেখে আরব মেহমান শায়খ নূর উদ্দীন সুদানী এ মন্তব্য করেন।
গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ঈ.) তারিখে জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার আল কাসিম মিলনায়তনে এ আরবী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিচারক হিসেবে অংশ নেন শায়খ নূর উদ্দীন সুদানী।
বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আরবি ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে মাদরাসা ও ব্যক্তির ভূমিকা—উভয়টিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দুটির কোনো একটিকে বাদ দিয়ে আরবি ভাষা শিক্ষা ও দ্বীনি শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়।
শায়খ নূর উদ্দীন সুদানী আরও বলেন, ব্যক্তির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও শিক্ষক ছাড়া মাদরাসায় তালিম-তরবিয়তের কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব নয়। শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত অপরিহার্য। একইভাবে মাদরাসার ভূমিকাও অনস্বীকার্য। মাদরাসা না থাকলে দ্বীন-ধর্ম ও ইসলামি শিক্ষা সমাজে টিকে থাকা কঠিন হতো।
তিনি বলেন, “মাদরাসা ও ব্যক্তি—দুটির ভূমিকাই অপরিহার্য। শিক্ষকের ভূমিকা ও মাদরাসার ভূমিকা একে অপরের জন্য পরিপূরক। আরবি ভাষা শেখার প্রতি আমাদের আরও গুরুত্ব দিতে হবে।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে শায়খ নূর উদ্দীন সুদানী জামিয়ার মুহতামিম ও প্রিন্সিপাল মুফতি মুনির হোসাইন কাসেমীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে আরবি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী জামিয়ার সকল শিক্ষার্থীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মাদানী/এমডব্লিউ
মন্তব্য (১)